শান্তিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক; এনসিডি কর্নারের কার্যক্রমে সন্তোষ
শান্তিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক; এনসিডি কর্নারের কার্যক্রমে সন্তোষ
নিজস্ব প্রতিবেদক
সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমীম। বুধবার (৮ জুলাই) অনুষ্ঠিত এ পরিদর্শনে তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য), সিলেট ডা. মো. মাহবুবুল আলম, সুনামগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. জসিম উদ্দিন শরিফী, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. শুকদেব সাহা এবং ডিস্ট্রিক্ট এসআরএইচআর কো-অর্ডিনেটর ডা. পূজা সাহা।
পরিদর্শনকালে প্রতিনিধিদল হাসপাতালের বহির্বিভাগ, জরুরি বিভাগ, বিভিন্ন ওয়ার্ড এবং অন্যান্য সেবাকেন্দ্র ঘুরে দেখেন। এ সময় তারা হাসপাতালের সেবার মান, রোগী ব্যবস্থাপনা এবং চিকিৎসাসেবা প্রদানের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে পরিদর্শন করা হয় হাসপাতালের অসংক্রামক রোগ (এনসিডি) কর্নার। সেখানে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস এর মতো অসংক্রামক রোগের চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন তারা।
কর্মকর্তারা এনসিডি কর্নারে বিদ্যমান ওষুধের তালিকা, সরবরাহকৃত ওষুধের মেয়াদ, সংরক্ষণ ব্যবস্থা, নিয়মিত ওষুধ সরবরাহের অবস্থা এবং প্রতিদিন কতজন রোগী এ কর্নার থেকে সেবা গ্রহণ করছেন-এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য নেন। রোগীদের জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধের প্রাপ্যতা, সেবার মান এবং কর্নারের সার্বিক কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন তারা। একই সঙ্গে রোগীবান্ধব ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এ ধরনের কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
পরিদর্শনের সময় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইকবাল হাসান, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. হাসিবুল নাসিম, মেডিকেল অফিসার ডা. তারিক জামিল অপু, ডা. সৈকত দাস, ডা. ফারজানা আক্তারসহ হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, শান্তিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনসিডি কর্নারের কার্যক্রম ২৩ জুলাই ২০২৩ সালে চালু হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৫০ হাজার মানুষের উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস এর মতো অসংক্রামক রোগের স্ক্রিনিং সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৬ হাজার রোগীকে নিবন্ধনের আওতায় এনে নিয়মিত চিকিৎসা, বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রদান এবং ফলোআপ সেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে। স্থানীয় জনগণের দোরগোড়ায় মানসম্মত অসংক্রামক রোগের সেবা পৌঁছে দিতে এনসিডি কর্নার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : Banglar Alo News Admin
কমেন্ট বক্স